ডিজিটাল ক্যারিয়ার কিভাবে শুরু করবেন ? ( ৩য় পর্ব )

এই পর্বে বাছাই করা ৮ টি পদ্ধতির ৫- ৮ পর্যন্ত সহ গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করা হবে ইনশাআল্লাহ।

  1. Content Marketing
  2. Email Marketing
  3. Display Advertising
  4. Viral Marketing

5.Content Marketing

ডিজিটাল মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল কনটেন্ট। কনটেন্ট কি  (Content) মানে হলো বিষয়বস্তু । কনটেন্ট বা বিষয়বস্তু হলো এমন কিছু মাধ্যম যা দিয়ে কোনো কিছুকে প্রকাশ করা যায় । কোনো কিছুর অবস্থা হতে পারে কোনো চিত্র ও শব্দও হতে পারে । যেমন: ছবি, অডিও, ভিডিও, টেক্স ইত্যাদি। আপনি যখন প্রচারণা করবেন তখন আপনাকে কনটেন্ট গুলো সঠিকভাবে, সঠিক যায়গায়, সঠিক সময়ে ব্যবহার করতে হবে তাহলে আপনার ফলাফলও সঠিকভাবে পাবেন।

Content Marketing

সুতরাং, আপনার পণ্যের প্রচারণার ক্ষেত্রে আপনার কনটেন্ট কে সঠিকভাবে ব্যবহার করতে হবে।

6.Email Marketing

ইমেইল এর মাধ্যমে নিজেদের পন্য বা সেবা সম্পর্কে গ্রাহকদের জানিয়ে দেওয়ায় হল ইমেইল মার্কেটিং। ডিজিটাল প্রযুক্তির এই সময়ে প্রত্যেকের একটা দুইটা ইমেইল এড্রেস থাকে এবং সবাই প্রতিদিন কম-বেশি তাদের ইমেইল বক্স চেক করে। এতে আপনার পাঠানো মেইলটি চেক করে তারা নতুন পণ্য সম্পর্কে বা বিভিন্ন অফার সম্পর্কে জানতে পারবে।

আপনার গ্রাহকদেরকে ইমেইল মার্কেটিং করতে বিভিন্ন ফর্ম ফিল-আপ বক্স এর মাধ্যমে তাদের ইমেইল গুলো সংগ্রহ করে নিতে পারেন।

Email Marketing

7.Display Advertising

প্রচারণার মাধ্যম গুলোর মধ্যে এটিও একটি জনপ্রিয় মাধ্যম। ইন্টারনেট ব্যবহার করার সময় আমারা বিভিন্ন ধরনের পণ্যের বা সার্ভিসের এ্যাড দেখতে পায়, তাই হলো ডিসপ্লে এ্যাডভারটাইজিং।প্রতিনিয়ত প্রত্যেকেই ইন্টারনেট ব্যবহার করে। এতে আপনার প্রচার এ্যাড গুলোর মাধ্যম তারা আপনার কোম্পানি, সেবা বা পণ্য সম্পর্কে জানতে পারবে।

Display Advertising

8.Viral Marketing

এই মাধ্যমটি অন্যসব মাধ্যম গুলো থেকে আলাদা এবং সবচেয়ে বেশি কার্যকরী। ভাইরাল মার্কেটিং এমন একটা পদ্ধতি যার ফলে মুহুর্তের মধ্যেই আপনার প্রচার করা বস্তুটি সবার কাছে পৌছে যাবে। এই ধরনের প্রচারণা গুলো বাতাসের সাথে সাথে সবার কাছে গিয়ে পৌছায়। এগুলো সাধারনত গ্রাহকের ধারায় হয়ে থাকে। এই মাধ্যমে মার্কেটিং করার জন্য আপনাকে সবার থেকে আলাদা ভাবে করতে হবে। এমন কিছু করতে হবে যাতে সবাই সেটা নিয়ে একজন অন্যজনের সাথে শেয়ার করে। আর এটাই হল ভাইরাল মার্কেটিং।

উপরের বর্ণিত সবগুলো পদ্ধতি ডিজিটাল মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে ব্যবহারিত হয়। এছাড়া আরো অনেক পদ্ধতি যেগুলো তেমন কার্যকর হয় না। এগুলোই সবচেয়ে বেশি ব্যবহারিত।

Viral Marketing

৭.ডিজিটাল ক্যারিয়ারের ভবিষ্যৎ কেমন ?

ডিজিটাল প্রযুক্তির এই সময়ে সবকিছু ডিজিটাল ভাবেই সংগঠিত হচ্ছে। আপনি এই আর্টিকেল টা পড়তেছেন তাও ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে। প্রতিদিন নতুন নতুন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান তৈরি হচ্ছে, নতুন নতুন ওয়েবসাইট তৈরি হচ্ছে। এই নতুন সবকিছু মানুষের কাছে জানানোর জন্য একজন মার্কেটার এর প্রয়োজন। এছাড়া পুরাতন ব্যবসায় গুলোতে বিভিন্ন ধরনের নতুন পণ্য আসে। তার জন্য ও মার্কেটিং প্রয়োজন।

বর্তমান সময়ে ৮৬% কোম্পানি তাদের মার্কেটিং এর জন্য ডিজিটাল পদ্ধতি কেই বেছে নিয়েছে। অন্যদিকে এই সেক্টরটা অনেক বড়সড়, তাই এতে কাজের কোন শেষ হবে না। এখন, আপনি নিজেই ভেবে দেখুন ক্যারিয়ার হিসেবে ডিজিটাল মার্কেটিং কেমন হবে।

কয়েকটি পরিসংখ্যান এথানে তুলে ধরা হলো।

এটাকে ক্যারিয়ার হিসেবে নেওয়ার কিছু সুযোগ সুবিধা রয়েছে, যেমনঃ বিশ্বে শেরা ১০০ টা চাকুরীর মধ্যে ডিজিটাল মার্কেটিং ৩১ তম। অনেক দক্ষ  ডিজিটাল মার্কেটার এর গড় বাৎসরিক  আয় প্রায় (কোটি +) টাকা। ডিজিটাল মার্কেটার এর বেকারত্বের হার ১.৮ %। বেকারত্ব থাকা না থাকা নির্ভর করবে সম্পূর্ণ দক্ষভাবে ডিজিটাল মার্কেটিং ধারাবাহিক ভাবে ধৈর্য ধরে শিখে কাজ করার উপর।

৮.কোথা থেকে  ডিজিটাল ক্যারিয়ার বা মার্কেটিং বিষয় জানবেন ?

আপনি অনেকভাবেই শিখতে পারবেন। এখন কথা হল, কিভাবে শিখলে আপনি সহজেই শিখতে পারবেন। কয়েকটি প্রকার-

অনলাইনে কোর্স করে:

বর্তমানে অনলাইনের মাধ্যমে সকল কিছু শিখতে পারবেন। গুগলের প্রফেশনাল ফ্রি কোর্সটি করতে পারেন। সরকারী প্রতিষ্ঠান গুলো থেকে ফ্রি ও টাকা দিয়ে  প্রফেশনাল কোর্স গুলো করতে পারবেন। এই কোর্সগুলো ইংরেজি ভাষায় তাই আপনাকে অল্প একটু হলেও ইংরেজি জানতে হবে।

বিভিন্ন ট্রেনিং সেন্টার থেকে শিখতে পারেন:

আপনার আশেপাশে অনেক ট্রেনিং সেন্টার পাবেন। যেখান থেকে আপনি কোর্স করে শিখে নিতে পারবেন। ট্রেনিং সেন্টার এ শিখার ক্ষেত্রে অবশ্যই সঠিক এবং ভালো মানের ট্রেনিং সেন্টার থেকে শিখবেন। অন্যতায় আপনার সময় এবং টাকা দুইটাই বৃথা যাবে। 

প্রাইভেট টিউটর এর কাছ থেকে শিখতে পারবেন:

একটু খোজ নিলেই আপনার আশেপাশে অনেক প্রফেশনাল ডিজিটাল মার্কেটার পাবেন। যাদের কাছ থেকে আপনি প্রাইভেটলি শিখতে পারবেন। শিখার ক্ষেত্রে এটাই সবচেয়ে সেরা মাধ্যম। কারন, আপনি সবকিছু সঠিকভাবে বুঝতে এবং সহজ ভাষায় শিখতে পারবেন। 

সম্পুর্ন ফ্রী “ওয়ার্ল্ড ফেমাস২৪” কোম্পানী হতে শিখতে পারবেন:                                   

ডিজিটাল মার্কেটিং এ ক্যারিয়ার গঠন করার জন্য প্রাথমিক পর্যায়ে যতোটুকু বেসিক ধারণা দরকার তা আপনি সম্পুর্ন ফ্রী ওয়ার্ল্ড ফেমাস২৪ কোম্পানী হতে শিখে একটি সফল ক্যারিয়ার গঠন করতে পারবেন ইনশাআল্লাহ।

চোখ রাখুন ৪র্থ পর্বে

৯. কিভাবে ডিজিটাল উদ্যোক্তা হয়ে সফল ক্যারিয়ার গঠন করবেন ?

 

One thought on “ডিজিটাল ক্যারিয়ার কিভাবে শুরু করবেন ? ( ৩য় পর্ব )

Leave a Reply